শীতলা দেবীর পরিচয়
শীতলা লৌকিক দেবী ৷শীতলা পুরাণে গৃহীত হয়ে পৌরাণিক দেবী তে পরিণত হয়েছেন৷ সাধারণভাবে এই বসন্ত রোগের জ্বালা নিবারণ করে শীতল করেন বলে এই দেবী শীতলা নামে পরিচিত হয়েছেন ৷বসন্ত ও চর্মরোগ থেকে পরিত্রাণের উদ্দেশ্যে শীতলা পূজা করা হয় ৷দেবী শীতলা কে ঠাকুরানী জাগরণী করুণাময়ী দয়াময় প্রভৃতি নামে অভিহিত করা হয় ৷শীতলা কুমারী মাথায় কুলা আকৃতি মুকুট এবং গর্ধব এর উপর উপবিষ্ট ৷গর্ধব তার বাহন ৷স্কন্দপুরাণ এ শীতলা দেবী শ্বেতবর্ণা ও দুই হাত বিশিষ্ট ৷তার দুই হাতে রয়েছে পূর্ণ কুম্ভ ও সম্মার্জনী ৷কথিত আছে সম্মার্জনী মাধ্যমে দেবী অমৃতময় শীতল জল ছিটিয়ে রোগ শোক দূর করেন ৷কখনো কখনো তিনি নিমের পাতা বহন করে থাকেন ৷নিম রোগ প্রতিরোধকারী উদ্ভিদ ৷সাধারণত শ্রাবণ মাসে দেবী শীতলার পূজা করা হয় ৷পূজা মন্দিরে বা শীতলা পূজার নির্দিষ্ট স্থানে পুরোহিতের মাধ্যমে শীতলা পূজা করা হয় ৷পূজার পদ্ধতি অন্যান্য পূজার অনুরূপ হলে ও এ পূজার সময় ঠান্ডা জাতীয় ফলের প্রয়োজন হয় পেঁপে নারিকেল তরমুজ ও মিষ্টি জাতীয় উপকরণ ৷দেবী বসন্ত রোগ থেকে আমাদের মুক্ত করে আমাদের শীতল করেন এই কারণে তিনি সকলের কাছে সমাদৃত হয়েছেন ৷দেবী শীতলা কে স্বাস্থ্যবিধি পালন বা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দেবী বলা হয় ৷শীতলা পূজার মাধ্যমে আমরা স্বাস্থ্যবিধি ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সচেতন হয়ে থাকি ৷দেবী শীতলার দুই হাতে রয়েছে পূর্ণকুম্ভ ও সম্মার্জনী৷ কথিত আছে সন্মাজনীর এর মাধ্যমে তিনি অমৃতময় শীতল জল ছিটিয়ে রোগ-শোক দূর করে শীতল করেন ৷আমরাও বসন্তে আক্রান্ত রোগীদের সেবা করে তাদের শীতল করব শীতলা পূজার মধ্য দিয়ে ৷আমাদের এ ধরনের সেবামূলক কাজ করার জন্য অগ্রসর হতে হবে৷ কখনো কখনো তিনি নিমের পাতা বহন করে থাকেন ৷নিম বৃক্ষ রোগ প্রতিরোধকারী উদ্ভিদ৷আমরা বাড়ির আঙ্গিনায় রোগ প্রতিরোধের জন্য নিম গাছ রোপন করতে পারি৷
শীতলা পূজার মন্ত্র ---
ওঁ নমামি শীতলাং দেবীং রাসভস্থাং দিগম্বরীম
মার্জ্জনীকলসোপেতাং সূর্পালঙ্কৃতমস্তকাম ৷
সরলার্থ---গর্দভ বাহন মার্জনী (ঝাটা) ও কলস হস্তা শীতলা দেবীকে প্রণাম করি
শীতলা দেবীর পরিচয়
Reviewed by King
on
February 06, 2019
Rating:
Reviewed by King
on
February 06, 2019
Rating:

No comments: